Subscribe Us

সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তী এর ৩ টি কবিতা

 

মুক্তি

--সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তী 


মুক্তি চাই মুক্তি চাই

মুক্তি কিরে পণ্য?

পাঁচ দশ টাকাতে

কিনে হবে ধন্য!


নাকি মুক্তি গাছের ফল

নাড়া দিলেই পরবে,

কাঁচা পাকা যা'ই পাবে

হাতে টেনে ধরবে।


কেউ আবার আজকাল

স্বপ্নে দেখে মুক্তি ,

লগ্নটা কেমন ছিলো 

খুঁজে বেড়ায় যুক্তি।


কেউ আবার মনে করে

লিখা থাকলে কপালে,

হেটে হেটে মুক্তিটা

এসে যাবে সকালে।


কাপুরুষ ভাবে বসে 

কি দরকার মুক্তি,

এমনিতেই ভালো আছি

কেনো রক্তারক্তি?


কিছু লোক মনে করে

মুক্তিতে লাভ কই?

ক্ষতি কিছু নেই তাঁদের

পাকা ধানে দিলে মই।


এই করেই মুক্তিটার 

শরীরে ক্লান্তি ,

কাঁঠালের পাতা পেলেই 

ছাগলের শান্তি।

💢💢💢💢💢💢💢

জাদুকরের নতুন ভেলকি।

সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তী 


দেশটা যে স্বাধীন তোমার

কি করে বুঝলে তুমি?

এখনো যে মানুষ মরে

রক্তে লাল হচ্ছে ভূমি।


তাকিয়ে দেখো ভালো করে

আজও কিন্তু চলছে শোষণ,

সকল খানে সকল কাজে

চলছে আপন স্বজন তোষণ।


পার্বতীরা আজও দেশে

সম্ভ্রম হাড়ায় দিনদুপুরে ,

রাজা বলেন ও কিছু নয়

ঠিক হবে সব কয়দিন পরে।


স্বাধীন হয়ে এই লাভ হলো

সবার হাতে ভিক্ষের বাটি,

রাজরাজাদের কপাল খুলে

হলো তামা সবুজ মাটি।


উন্নতিটা এখন দেশে

মিশে গেছে আকাশ নীলে ,

শালিক এখন ময়ুর হয়ে

নাচে বনে পেখম তুলে।


যেথা যাবে হেথা তোমার

নেইযে কিছু,

সব যে গেছে সারি সারি

নেতার পিছু।


শোষণ শাসন করতো আগে

দূর দেশের বেনিয়ারা,

এখন দেখো করছে সবই 

ওদের রক্তে জন্ম যারা।


হাত বদলিয়ে ঠিক রয়েছে

গাঁজার কলকি,

স্বাধীনতার অর্থ এখন

জাদুকরের নতুন ভেলকি।

💢💢💢💢💢💢💢💢💢

আমার এই রক্ত লেখা

সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তী 


আমার এই রক্ত লেখা

আধমরাদের প্রাণ সঞ্চারী,

শব্ধরা সব কাস্তে কুঠার

ছন্দ বিহীন কথা তারি।


মধ্য রাতে পেটের ক্ষুধায়

শিশু যখন কেঁদে উঠে,

এই পৃথিবী মূল্য হারায়

খাবার যদি নাইবা জুটে।


প্রাণের বিনাশ হয়েছে অনেক

অধিকারের কথা বলে,

যুগের পরে যুগ চলেছে

পুঁজিপতিদের যাঁতাকলে।


অনেক স্লোগান মিছিল মিটিং

বেশ হয়েছে আকাশ ভারী,

পথেঘাটে মানুষ মরে

মুচকি হাসে অত্যাচারি।


বলছি আমি আর নয় মোটে

কুঠার হাতে কঠোর হয়ে,

কঠিন আঘাত মাথায় করো

খেলছে যারা বিশ্ব লয়ে।


Post a Comment

0 Comments