অভিনন্দন
শ্রাবন্তী জয়া দত্ত
আট ই মার্চের ভোরের প্রথম আলোয় লড়াকু,যোদ্ধা,প্রতিবাদী অত্যন্ত সাধারণ গ্রাম বাংলার মেয়ে,বউ,গৃহবধু ও বয়স্কা মাতৃসমা মহিলাদের জানাই সংগ্রামী অভিনন্দন,
পৌষের শেষ ও মাঘের শুরুতে তোমরা বাংলার আকাশে সূর্যের ন্যায় জ্বলজ্বল ও স্বচ্ছ লড়াইয়ে
যে মাইল স্টোন স্থাপন করলে ,
তা আমরা শুধু নয়,আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন শুনবে,বুঝবে,,,,,
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে কিভাবে দাঁড়তে হয়,
তখন মনোবল আর সাহস আর পরিত্যাক্ত বাঁশ, কঞ্চি
ও ধারালো তরবারি হয়ে যায়।
আট ই মার্চের ভোরের প্রথম আলোয় আমি তাদের ও কুর্নিশ জানাই যারা নিজেরা নারী হয়েও
এই সকল যোদ্ধা নারীদের মনোবল ভাঙার জন্যে
তির্যক তির্যক সমালোচনা ছুঁড়ে দিয়েছেন,
নিজেদের বিচার ,বিবেচনা, বুদ্ধি কে অন্যের পায়ে
র তলায় কবর দিয়ে,
আমি সব সময় ধন্যবাদ জানাই সেই সমস্ত সমালোচক নারীবাদী দের,
যাদের অনুপ্রেরণা য় আর পাঁচজন সাধারণ মহিলারা আজ এগিয়ে আসছেন।
একজন মহিলা অথবা পুরুষ রাস্তার ধারে অভুক্ত
পথ কুকুর বিড়াল দের খেতে দেন তখন পাশকাটিয়ে চলে যাওয়া কিছু মহিলা সমালোচনা
ছুঁড়ে দিয়ে যান,
আজ এনারা সমালোচনা করেছেন বলে এগিয়েও
আসছে এই সমাজের ই একদল অসামাজিক মানুষ
ধৈর্য্য আর মনোবলের জোড়ে।
আট ই মার্চের ভোরের প্রথম আলোয় জীবন যুদ্ধে
লড়াকু মহিলা যাদের সঙ্গে সকাল বিকাল
আমার আলাপ,পরিচয়,গল্পে কাটে সারাদিনে র
কিছুটা সময়, রাস্তার ধারে ফুল বিক্রেতা দিদি,
সবজি বিক্রেতা দিদি ,মাছ বিক্রেতা মামনী,,,,,,,
বাজারের সামনে খুব ভোরে ফ্লাক্সে করে চা বিক্রেতা দিদি,কিংবা মুদি দোকান চালিয়ে যাচ্ছেন
বছরের পর বছর ধরে যিনি,,,,,
প্রত্যেকেই আজ যুদ্ধ চালিয়ে নিজস্ব পায়ে দাঁড়িয়ে
সংসারের হাল ধরেছেন,
সঠিক সম্মান ও শ্রদ্ধা তো তাদের ও পাওয়া উচিত
আরেক জন নারীর কাছ থেকে।
সমালোচনা না থাকলে সঠিক দিশা পাওয়া যায় না,
তাই , সমালোচকদের অবদান অনস্বীকার্য,
আট ই মার্চ এ সমাজের প্রতিটি মহিলাই যেনো
উপযুক্ত সম্মান পান,
পৃথিবী তথা সমাজে একটু বদল আনতে মুখোশ
নয় একটু মানবিকতা র খুব প্রয়োজন হয়ে
পড়ছে বর্তমান সময়ে।।
আপনার নতুন কবিতা প্রকাশ করতে চাইলে এই পোষ্টের কমেন্টে কবিতা দিন। অথবা ক্লিক করুন:




0 Comments