ললিতা
মেহেদী হাসান
ডাগর দু'খানা নয়ন দিয়া
তুমি কার দিকে চেয়ে আছ ললিতা?
আমি যে উদাসীন ভাবে,
শিমুলতলা তে বসে আছি।
তোমার কি পড়ছে না চোখে!
নাকি তোমার মনোবাসনা তে
আমার অস্তিত্ব বিরাজ করে না।
সবুজ ঘাসের চিকচিক করে ফুটে ওঠা
শিশির বিন্দু যখন সবুজ ঘাস ফড়িং এসে ছুঁয়ে দেয়,
মনের আনন্দ জেগে ওঠে যখন দেখা মিলে পায়ে পায়ে শিশিরবিন্দু ছুঁয়ে তুমিও খেলা করছ ঘাস ফড়িং এর সাথে।
ললিতা তুমি কি জানো !
তোমার বাচ্চা সুলভ আচরণ
আমার মনের প্রশান্তির কারণ ।
ললিতা তোর দৃষ্টি আকর্ষণ কোন পথে ,
যে পথে আমার কয়েকটি উড়ো চিঠি
ফেলে আসা হয়েছিল !
মনের মাধুর্যতা নিয়ে লিখা হয়েছিল
কয়েকটি কবিতা যে পথকে নিয়ে ।
আমার তো অপেক্ষায় বিরহের সুর বাজে।
সেদিন তো দেখলাম কারো হস্ত
তোমার হস্ত সাথে আবদ্ধ হয়ে আছে।
তোমাতে নীল পাড়ের সাদা শাড়ি,
অন্যদিকে তাহার সাদা পাঞ্জাবি।
সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে যখন
তাহার বাহুডোরে আবদ্ধ হয়ে
দূর সীমান্তে সূর্য অস্ত যাওয়া উপভোগ করছিলে।
তখন আমার চোখের জল মাটিতে চুমু খেয়েছে ।
ললিতা তুমি তো নেই আমাতে ।
তুমি কি আমার বসন্ত হবে
মেহেদী হাসান
তুমি কি আমার বসন্ত হবে?
প্রিয় আমার, সব ক্ষণ সমৃদ্ধ হবে।
ফুলের মালায় বসন্তের আলো,
তোমার মুখে স্মিতির খেলা হবে।
মনে মনে হাসির ভেলা,
সুখের ঝর্ণা, প্রেমের মেঘেলা।
তুমি আমার হৃদয়ের শুধু প্রিয়,
বসন্তের সঙ্গে তোমার হবে ধর্মীয়।
হৃদয়ে আলোর বাতাসে উড়ে,
আমার অভিমান তুমি আমির প্রাণে।
তুমি আমার সব কিছু, বসন্ত হবে,
প্রেমের বাতাসে সবুজের ছায়া হবে।
🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺
প্রীতিলতা
মেহেদী হাসান
পাহাড়ে অবস্থান করা রক্তখেকো পশু আজ-
সমতলে স্থান নিয়েছে ।
বিকৃত মনভাবে পূর্ণ হয়ে আছে আজকের সমাজ ।
পরিবারের মহান বংশ বিস্তার কারি তার সন্তানের
অপকর্ম ঢাকতে তার ছোট্ট উত্তর ।
"এই বয়সে এরকম একটু আধটু না করলে কখন করবে "?
প্রিতিলতাও যৌবনের গন্ধ নিতে চেয়েছিল,
তাকেও শেষ লালসার শিকার হতে হয়েছিল ।
প্রিতিলতার তো একজন প্রয়োজন ছিল ,
রক্ত চোষা পশু কি একা স্বাদ ভোগ করতে চায় ?
তার দলের প্রয়োজন হয় ।
প্রীতিলতা তার নিজের শেষ রক্ষা করতে পারেনি ,
তার দু'টুকরো মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেয়েছে নেকড়ের দল ।
শেষ সমাপ্তি প্রীতিলতার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আছে ।



0 Comments