বিরহ প্রেমের কথোপকথন।
______অরন্য হাসান দেলোয়ার।
শোন,
আপনি?
হ্যা,আমি,চিনতে পারোনি?
কি করে চিনবে? চিনলে কি আর এতো সহজে হাতটা ছেড়ে দিতে পারতে?
অরন্য? তাই বলো,অনেক বদলে গিয়েছো তুমি।
তাই,প্রথম দেখায় চিনতে পারিনি।
যাক,চিনতে পেরেছো,এটাই যথেষ্ট।
আর বদলে যাবার কথা বললে,সে তুমিও কম বদলাও নি,রোগা পাতলা সেই তুমি,আজ...
মোটা বলতে চাইছো? তোমার সেই ঝগড়াটে স্বভাব আজো রয়েছে দেখছি।
স্বভাব,হ্যা কিছু স্বভাব থেকে গেছে অগোচরে, আর কিছু বদলে গিয়েছে অভাবের তারনায়,
অভাব? তোমার আবার কিসের অভাব?
অনেক কিছুরই অভাব,ভালোবাসা,প্রেম,আরও আছে অনেক কিছু! সে যাই হোক,তুমি বলো কেমন আছো?
ভালো,অন্তত এইটুকু বলতে পারি,আমার গোবেচারা স্বামী আমার সাথে ঝগড়া করে না।
আমার ঝগড়াটা তুমি দেখতে পেয়েছিলে,তার গহীনে যে প্রেম ছিলো সেটা তোমার কখনো চোখেই পড়েনি।
আজ তোমার সাথে দেখা না হলে একটা ভুলের ভিতর থেকে যেতাম আমি,যা এতোদিন ধরে বহন করে চলছি।
কোন ভুল? কিসের ভুল?
তুমি আমাকে ভালোবাসতে,এই ভুল।
তারমানে তুমি বলতে চাও,আমি তোমাকে ভালোবাসিনি?
আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা থাকলে,আজ তোমার চোখে কিছুটা কষ্ট দেখতে পেতাম। হারানোর যন্ত্রণা দেখতে পেতাম।
তোমার যা মনে হয়,আমি যাবো এখন।
যাবে? যাও,ভালো থেকো।
তুমিও।( চলে যাচ্ছে)
(মনে মনে) অরন্য,আমি প্রতি রাত তোমার বিরহ বর্ষায় ভিঁজে যাই,তোমাকে ছেড়ে আসার যন্ত্রণা আমাকে প্রতিদিন পোড়ায়,আমি চাইনি তুমি আমার কষ্ট অনুভব করো,আমি জানি আমার কষ্টের কথা জানলে তুমি আরো বেশি পুড়বে,বেঁচে থেকেও প্রতিদিন তোমার মৃত্যু হবে। আমি চাইনি তুমি কষ্ট পাও। তাই হাসি মুখে নিয়ে সুখে থাকার অভিনয়টা করতে হলো,ক্ষমা করে দিও অরন্য। অরন্য,আমার হাতটা ধরে যদি বলতে থেকে যাও,আমি থেকে যেতাম,বিশ্বাস করো থেকে যেতাম।
(চলে যাওয়া পথের দিকে তাকিয়ে মনে মনে)
নিতু,অভিনয়টাও করতে শেখোনি,তুমি সুখে থাকার অভিনয় করলেও,তোমার চোখে আমি যন্ত্রণার অনল দেখতে পেয়েছি। পুড়ে যাওয়া এক আত্মা দেখতে পেয়েছি। নিতু,খুব ইচ্ছে করছিলো তোমার হাতটা ধরে বলি,থেকে যাও। প্লিজ থেকে যাও। কিন্তু সেই আমি আর আজকের আমি অনেক ভাঙ্গাগড়ায় বদলে যাওয়া আমি। প্লিজ ক্ষমা করো আমায়।
©Aranna Hasan Delwar.
#everyonefollowers #জাতীয়কবিপরিষদ #নষ্ট_ছেলে #Bangladesh #WestBengal #rkhusana Rukhsana Haque Sonia
#arannahasandelwar
.jpeg)
0 Comments