গাজা ও এক টুকরো রুটি।
____অরন্য হাসান দেলোয়ার।
গাজা এখানে;এক টুকরো রুটি চাই!
রক্তাক্ত স্রোতের ঢেউ পাঠিয়েছে আমার ঘরের দরজায়?
কে দিয়েছে আগুন?
আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত আজ পুরো শহর জুড়ে
নিরাপদ এক ইঞ্চি মাটি নেই
যেখানে আমার পা রাখা যায়। নিষ্ঠুরতম হিংসার
বিস্ফোরণে পুড়ছে আমার জন্মভূমির মাটি।
আগুনের শিখা কমে এলে চারদিকে শুধু ছাই
ছাই মিশে যায় বাতাসে
অন্ধকার হয়ে আসে আকাশ।
যেমন অন্ধকার হয়ে গেছে আমাদের ভবিষ্যৎ জীবন।
কোথাও এক টুকরো আলো নেই
অন্ধকার হাতরে কতক্ষণ চলা যায়?
বেঁচে থাকা যেখানে ভীষণ কঠিন কাজ
সেখানে তুমি কি করে আসবে বলো
চারদিকে ঘিরে রেখেছে হায়না
উপরে ক্ষুধার্ত শকুন,যে শকুনের তাজা রক্ত ভীষণ প্রিয়।
কখন যে হায়না ছিঁড়ে খাবে,আর শকুনে ঠুকরাবে
তার কোন নিশ্চয়তা এইখানে নেই।
পিতামাতা হীন ছোট্ট শিশুর মাংসকে ওরা হরিণের মাংসের মতো সুস্বাদু মনে করে খায়।
কি বিভৎস,কি নির্মম সেই দৃশ্য
চোখে না দেখলে তুমি বিশ্বাস করতে পারবে না।
যেটুকু তোমরা দেখতে পাও,সেটা অনেক সেন্সরের
কাচির নিচ দিয়ে যায় তোমাদের কাছে।
এখানের প্রতিটি কবরে তুমি ক্ষুধার্তদের কান্না শুনতে পাবে,
মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার আগ মুহুর্তেও এরা ক্ষুধার্ত ছিলো।
এক টুকরো রুটি ওদের কবরের উপরে রেখে আসতে চাই,
এক টুকরো রুটি।
©Aranna Hasan Delwar.

0 Comments